তুরস্কের রাজনৈতিক অঙ্গনে এক গুরুত্বপূর্ণ মোড় নিয়েছে, যখন দেশটির বৃহত্তম বিরোধী দল রিপাবলিকান পিপলস পার্টি (সিএইচপি) তাদের কারাবন্দি নেতা এবং ইস্তাম্বুলের মেয়র একরাম ইমামোগ্লুকে ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেছে।
একরাম ইমামোগ্লু, যিনি ২০১৯ সালে ইস্তাম্বুলের মেয়র নির্বাচিত হয়েছিলেন এবং পরবর্তীতে পুনর্নির্বাচনে আরও বড় ব্যবধানে জয়লাভ করেন, তিনি তুরস্কের রাজনীতিতে একজন প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন। তার জনপ্রিয়তা এবং বিরোধী দলগুলোর মধ্যে ঐক্য স্থাপনের ক্ষমতা তাকে এরদোয়ানের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
মোহাম্মদপুরে বিশেষ অভিযানে ৭১ জন গ্রেপ্তার
১০টা ফেরাউন একত্রিত করলেও হাসিনার সমান হবে না: হাসনাত
মানিকগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনা রোধ কল্পে রোড় শোঃ লিফলেট বিতরণ ও ষ্টিকার সংযোজন।
তবে, সাম্প্রতিক সময়ে ইমামোগ্লুর বিরুদ্ধে দুর্নীতি, টেন্ডার জালিয়াতি এবং সন্ত্রাসী সংগঠনকে সহায়তার অভিযোগে একাধিক তদন্ত শুরু হয়েছে, যার ফলে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার গ্রেপ্তারের পর তুরস্কের বিভিন্ন শহরে ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয়েছে, যা ২০১৩ সালের গাজি পার্ক বিক্ষোভের পর সবচেয়ে বড় বলে মনে করা হচ্ছে।
সিএইচপি ইমামোগ্লুর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলোকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছে এবং তার মুক্তি দাবি করেছে। তারা এই ঘটনাকে 'আমাদের ভবিষ্যৎ প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে একটি অভ্যুত্থান' হিসেবে অভিহিত করেছে।
এই পরিস্থিতিতে তুরস্কের রাজনৈতিক অঙ্গনে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়েও প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। মানবাধিকার সংস্থাগুলো ইমামোগ্লুর বিরুদ্ধে অভিযোগগুলোকে 'রাজনৈতিকভাবে প্রণোদিত ও ভুয়া' বলে অভিহিত করেছে এবং তার অবিলম্বে মুক্তি দাবি করেছে।
একরাম ইমামোগ্লুর গ্রেপ্তারের ঘটনা তুরস্কের রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় নিয়েছে এবং এটি ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ফলাফলকে প্রভাবিত করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।