নোয়াখালীর হাতিয়ায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসউদের পথসভায় হামলার ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় বিএনপির বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। সোমবার রাতে হাতিয়ার জাহাজমারা বাজারে এই হামলার ঘটনা ঘটে।
আব্দুল হান্নান মাসউদের ফেসবুক পেজ থেকে জানানো হয়েছে, "নোয়াখালীর হাতিয়ার জাহাজমারায় বিএনপির সন্ত্রাসী বাহিনী কর্তৃক আব্দুল হান্নান মাসউদ ভাইকে মেরে ফেলার উদ্দেশ্য অতর্কিত হামলা চালানো হয়েছে। এতে হান্নান মাসউদ ভাইসহ ৫০ জনের বেশি নেতাকর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন।"
বুড়িমারী স্থলবন্দর ৮ দিন বন্ধ ঘোষণা
মোহাম্মদপুরে বিশেষ অভিযানে ৭১ জন গ্রেপ্তার
১০টা ফেরাউন একত্রিত করলেও হাসিনার সমান হবে না: হাসনাত
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হাতিয়ার বাসিন্দা আব্দুল হান্নান মাসউদ এদিন জাহাজমারা ইউনিয়নের বাসিন্দাদের সঙ্গে দেখা করতে যান। সন্ধ্যায় জাহাজমারা বাজারে পৌঁছালে বিএনপির নেতাকর্মীরা তার কর্মসূচিতে বাধা দেয় এবং হামলা চালায়। হামলার প্রতিবাদে আব্দুল হান্নান মাসউদ অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবিতে নেতাকর্মীদের নিয়ে সড়কে অবস্থান নেন।
হামলার বিষয়ে আব্দুল হান্নান মাসউদ সংবাদমাধ্যমকে বলেন, "আমার পথসভায় বিএনপির একদল নতুন ফ্যাসিস্ট বাধা দিয়েছে। প্রতিবাদে আমি ছাত্র-জনতাকে নিয়ে সড়কে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছি। যারা হামলা করেছে তারা আওয়ামী লীগের চেয়েও খারাপ। তারা বাজারের দোকানপাট বন্ধ করে ফের হামলার পরিকল্পনা করছে। আমি চাই, কোনো অপরাধীর ঠাঁই এই দ্বীপে না হোক, সে যে দলেরই হোক না কেন। তাদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনতে হবে।"
তবে হাতিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি ফজলুল হক খোকন হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, "এমন কোনো হামলার ঘটনা আমার জানা নেই। আব্দুল হান্নান মাসউদ যাদের সঙ্গে ঘুরছেন তারা আওয়ামী লীগ ও স্বৈরাচারের দোসর। তাদের মধ্যে কোনো ঝামেলা হতে পারে। তাছাড়া, আব্দুল হান্নান মাসউদের কোনো কর্মী নেই। তিনি আওয়ামী লীগের ওপর ভর করে কর্মসূচি পালন করছেন।"
হাতিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম আজমল হুদা জানান, "আমি ঘটনাস্থলে যাচ্ছি। জাহাজমারায় কৃষক দলের আহ্বায়কের ওপর হামলা হয়েছে। এর প্রতিবাদে বিএনপির লোকজন মিছিল বের করে। সম্ভবত সেই মিছিল থেকে হামলা হয়ে থাকতে পারে। ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"