প্রধান উপদেষ্টার চীন সফর একটি মাইলফলক হবে, বললেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন
নিজ এলাকা গ্রীন এন্ড ক্লিন রাখতে প্রশাসনের উদ্ব্যোগ
Exports of Bangladesh have reached 5 billion dollars in four consecutive months
আবু তাঈম সিজান
সাগরকন্যা’ খ্যাত কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে প্রতি বছরই ঈদুল ফিতরের ছুটিতে পর্যটকের ঢল নামে। এবারও পর্যটকদের জন্য পর্যটনকেন্দ্র, হোটেল-মোটেল ও রেস্তোরাঁগুলো প্রস্তুত করা হয়েছে। তবে আশানুরূপ অগ্রিম বুকিং না পাওয়ায় কিছুটা হতাশ হোটেল ব্যবসায়ীরা।
সরেজমিনে দেখা গেছে, কুয়াকাটার আবাসিক হোটেলগুলো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয়েছে, রেস্তোরাঁগুলো ঐতিহ্যবাহী খাবার তৈরির প্রস্তুতি নিয়েছে। ট্যুর অপারেটরদের আশা, ঈদের ছুটিতে পর্যটকদের আনাগোনা বাড়বে এবং তারা প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের আসল রূপ উপভোগ করতে পারবেন।
কুয়াকাটায় প্রায় ২০০টি আবাসিক হোটেল রয়েছে, যেখানে ৩০ হাজারের বেশি পর্যটক থাকতে পারেন। সাধারণত ঈদের আগে ৭০-৮০% অগ্রিম বুকিং হয়ে যায়, তবে এবার তা ৪০-৫০% এর বেশি হয়নি। কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ইব্রাহিম ওয়াহিদ জানান, অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার বুকিং কম।
হোটেল সিকদার রিসোর্ট অ্যান্ড ভিলাসের এজিএম আল-আমিন আপন জানান, “ঈদের পর ২০% ছাড় দিয়ে বুকিং নেওয়া হচ্ছে, এতে ৫০% কক্ষ আগেই ভাড়া হয়ে গেছে। তবে গত বছরের তুলনায় এখনও বুকিং কম।”
আচার ব্যবসায়ী রাসেল বলেন, "রমজানে বিক্রি কম থাকলেও ঈদের পর পর্যটকদের আনাগোনায় বেচাকেনা বাড়বে। দেশের বিভিন্ন জেলার সঙ্গে কুয়াকাটার সংযোগ সহজ হওয়ায় এবার আরও বেশি পর্যটক আসতে পারে।"
ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব কুয়াকাটা (টোয়াক) সেক্রেটারি জেনারেল জহিরুল ইসলাম বলেন, "সপ্তাহজুড়ে প্রতিদিন ৩০-৪০ হাজার পর্যটক আসতে পারেন। যারা অগ্রিম বুকিং দিয়েছেন, তারা সাশ্রয়ীভাবে ভ্রমণের সুযোগ পাবেন।"
কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান জানান, ঈদে ব্যাপক পর্যটক সমাগম হবে বলে পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে টহল জোরদার করা হয়েছে। হোটেল-রেস্তোরাঁয় তদারকি, সৈকতে নজরদারি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।