Dhaka, শনিবার, এপ্রিল ৫, ২০২৫
logo

ট্রাম্পের শুল্কারোপ: অনিশ্চয়তার মুখে ভারতের ওষুধ শিল্প!


সিয়াম ইসলাম   প্রকাশিত:  ০৫ এপ্রিল, ২০২৫, ০৬:২৯ এএম

ট্রাম্পের শুল্কারোপ: অনিশ্চয়তার মুখে ভারতের ওষুধ শিল্প!

 

 

 

 

ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্ক যুদ্ধের প্রভাবে অনিশ্চয়তার মুখে ভারতের ওষুধ শিল্প। যুক্তরাষ্ট্র আরোপিত শুল্কের তালিকায় ভারতীয় ওষুধ না রাখলেও মার্কিন ওষুধ আমদানিতে প্রায় ১০ শতাংশ শুল্ক বিদ্যমান রেখেছে ভারত। ট্রাম্প প্রশাসনের পাল্টা শুল্ক আরোপ ঠেকাতে ওই ১০ শতাংশ শুল্ক প্রত্যাহারে নয়াদিল্লির প্রতি আহ্বান দেশটির ওষুধ শিল্প সংশ্লিষ্টদের।

 

 

 

২০২৩-২৪ অর্থবছরে ভারতের ওষুধ শিল্প বা ফার্মাসিউটিক্যাল খাতের বাজারমূল্য ছিল পাঁচ হাজার কোটি মার্কিন ডলার। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে এই অংক দ্বিগুণেরও বেশি বেড়ে ১৩ হাজার কোটি ডলারে পৌঁছাবে বলে ধারণা সংশ্লিষ্টদের। বিশ্ববাজারে অনুমোদিত ওষুধ সরবরাহে শীর্ষ ভারত; মোট বৈশ্বিক রপ্তানিতে দেশটির অবদান ২০ শতাংশের বেশি।

 

 

 

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপের ঘোষণায় অনিশ্চয়তা ঘিরে ফেলেছে ভারতের ফার্মাসিউটিক্যাল খাতকে। সংশ্লিষ্টদের শঙ্কা, সাধারণের হাতের নাগালে থাকা অনুমোদিত ওষুধের বাজারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে ট্রাম্প প্রশাসনের সিদ্ধান্ত। যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে সুলভ ওষুধের অর্ধেক এবং রোগীকে চিকিৎসকের পরামর্শে উল্লেখিত প্রতি ১০টি ওষুধের নয়টিই ভারতে উৎপাদিত।

 

 

 

 

 

ভারতের ওষুধ উৎপাদক অমিত বাজাজ বলেন, ‘বিকল্প খুঁজতে হবে ভারতীয় উৎপাদনকারীদের। অন্য দেশের দিকে নজর দিতে হবে। আমরা সারা বিশ্বেই ওষুধের যোগান দিচ্ছি। সারা বিশ্বে সরবরাহকৃত ওষুধের এক-তৃতীয়াংশই ভারতের। তাই ভারসাম্য বজায় রেখে নতুন পথ খুঁজে বের করতে হবে আমাদের।’

 

 

 

মার্কিন খাদ্য ও ওষুধ নিয়ন্ত্রক সংস্থা এফডিএ'র বিধি মেনে ভারতের মাটিতে প্রায় ৭শ' কারখানায় উৎপাদিত ওষুধ পৌঁছায় মার্কিন ভোক্তাদের হাতে। মার্কিন শুল্কের হুমকিতে এই উৎপাদনকারীদের কপালে পড়েছে চিন্তার ভাঁজ। যুক্তরাষ্ট্র আরোপিত শুল্কের তালিকায় ভারতীয় ওষুধ না থাকলেও মার্কিন ওষুধ আমদানিতে প্রায় ১০ শতাংশ শুল্ক বিদ্যমান রেখেছে ভারত। ট্রাম্প প্রশাসনের পাল্টা শুল্ক আরোপের হুমকির প্রতিক্রিয়ায় মার্কিন ফার্মাসিউটিক্যাল পণ্যে বহাল আমদানি শুল্ক প্রত্যাহারে ভারত সরকারের প্রতি আহ্বান দেশটির ওষুধ শিল্প সংশ্লিষ্টদের।

 

 

 

 

 

ভারতের ওষুধ উৎপাদক সমিতির ইমিডিয়েট পাস্ট ন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট ভিরাঞ্চি শাহ বলেন, ‘আমাদের খুব বেশি পরিমাণে ওষুধ আমদানি করতে হয় না। ক্যানসারসহ প্রায় সব ধরনের জটিল রোগের চিকিৎসায় গুরুত্বপূর্ণ ওষুধ আমরাই উৎপাদন করে থাকি। তাই অন্য দেশ থেকে ভারতে যেসব ওষুধ আসছে, সেগুলোতে শুল্ক শূণ্যে নামিয়ে আনলেও ভারতের রোগীদের তাতে অসুবিধা হবে না।’

 

 

 

বহির্বিশ্বের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক যুদ্ধে গতি বাড়বে অভ্যন্তরীণ মার্কিন উৎপাদন শিল্পে, দাবি ট্রাম্প প্রশাসনের। তবে স্থানীয় ফার্মাসিউটিক্যাল সংশ্লিষ্টদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রে ওষুধের কারখানা স্থাপনে গলাকাটা পর্যায়ে বাড়বে ওষুধের খরচ। বিশ্লেষকরাও বলছেন, ভারতের রপ্তানিযোগ্য ওষুধে যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপে দাম যেমন বাড়বে, তেমনি ভোক্তা পর্যায়ে এসব ওষুধ পৌঁছাতেও পার করতে হবে বড় বাধা।

 

 

 

 

 

বাংলাদেশেও ফার্মাসিউটিক্যাল পণ্যের সবচেয়ে বড় চালান আসে ভারত থেকে। কাঁচামাল থেকে শুরু করে ওষুধ শিল্পে প্রয়োজনীয় সবকিছুর জন্য ভারতের পরই চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরশীল বাংলাদেশ। ফলে ওষুধ শিল্পের ওপর মার্কিন শুল্কের প্রভাব পড়তে পারে দেশের বাজারেও।

 

 

 

পুরো কন্টেন্টি ইউনিক ভাবে লিখে দিন যাতে কারো সাথে না মিলে যায়

 

 

 

 

ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্ক যুদ্ধের প্রভাবে ভারতীয় ওষুধ শিল্প এক গভীর অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। যদিও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভারতীয় ওষুধের উপর সরাসরি শুল্ক আরোপ করেনি, তবুও ভারত মার্কিন ওষুধ আমদানির উপর প্রায় ১০ শতাংশ শুল্ক বহাল রেখেছে। এই পরিস্থিতিতে, ভারতীয় ওষুধ শিল্প সংশ্লিষ্টরা ট্রাম্প প্রশাসনের পাল্টা শুল্ক আরোপের হুমকি এড়াতে এই ১০ শতাংশ শুল্ক প্রত্যাহারের জন্য নয়াদিল্লির প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।

 

২০২৩-২৪ অর্থবছরে ভারতীয় ওষুধ শিল্পের বাজার মূল্য ছিল প্রায় পাঁচ হাজার কোটি মার্কিন ডলার। বিশেষজ্ঞরা অনুমান করছেন, আগামী পাঁচ বছরে এই বাজার মূল্য দ্বিগুণেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়ে ১৩ হাজার কোটি ডলারে পৌঁছাবে। বিশ্ববাজারে জেনেরিক ওষুধ সরবরাহে ভারত একটি শীর্ষস্থানীয় দেশ, যা বিশ্বব্যাপী রপ্তানির ২০ শতাংশেরও বেশি অবদান রাখে।

 

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপের ঘোষণা ভারতীয় ওষুধ শিল্পের জন্য একটি বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে সাধারণ মানুষের জন্য সহজলভ্য জেনেরিক ওষুধের বাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। মার্কিন বাজারে সুলভ ওষুধের প্রায় অর্ধেক এবং রোগীদের জন্য চিকিৎসকের পরামর্শে উল্লেখিত প্রতি ১০টি ওষুধের নয়টিই ভারতে উৎপাদিত হয়।

 

ভারতীয় ওষুধ প্রস্তুতকারক অমিত বাজাজ মনে করেন, ভারতীয় প্রস্তুতকারকদের এখন বিকল্প পথ খুঁজতে হবে। তাদের অন্যান্য দেশের দিকে নজর দিতে হবে। তিনি বলেন, "আমরা সারা বিশ্বে ওষুধ সরবরাহ করি। বিশ্বব্যাপী সরবরাহের এক তৃতীয়াংশ ওষুধ ভারত থেকে আসে। তাই, আমাদের ভারসাম্য বজায় রেখে নতুন পথ খুঁজে বের করতে হবে।"

 

মার্কিন খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন (এফডিএ) এর মান অনুযায়ী, প্রায় ৭০০টি ভারতীয় কারখানায় উৎপাদিত ওষুধ মার্কিন ভোক্তাদের কাছে পৌঁছায়। মার্কিন শুল্কের হুমকির কারণে এই প্রস্তুতকারকরা এখন চিন্তিত। মার্কিন ওষুধের উপর ভারত কর্তৃক আরোপিত প্রায় ১০ শতাংশ আমদানি শুল্ক প্রত্যাহার করার জন্য ভারতীয় ওষুধ শিল্প সংশ্লিষ্টরা ভারত সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।

 

ভারতীয় ওষুধ প্রস্তুতকারক সমিতির প্রাক্তন জাতীয় সভাপতি ভিরাঞ্চি শাহ বলেন, "আমাদের খুব বেশি ওষুধ আমদানি করতে হয় না। ক্যান্সারসহ প্রায় সব জটিল রোগের জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধ আমরা নিজেরাই তৈরি করি। তাই, অন্যান্য দেশ থেকে ভারতে আসা ওষুধের উপর শুল্ক শূন্যে নামিয়ে আনলেও ভারতীয় রোগীদের কোনো সমস্যা হবে না।"

 

ট্রাম্প প্রশাসন দাবি করে, বহির্বিশ্বের সাথে শুল্ক যুদ্ধের ফলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ উৎপাদন শিল্প দ্রুত বৃদ্ধি পাবে। তবে, স্থানীয় ওষুধ শিল্প সংশ্লিষ্টদের মতে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ওষুধ কারখানা স্থাপনের খরচ অনেক বেশি হবে। বিশ্লেষকরা মনে করেন, ভারতীয় রপ্তানিযোগ্য ওষুধের উপর মার্কিন শুল্ক আরোপের ফলে শুধু দামই বাড়বে না, বরং ভোক্তাদের কাছে এই ওষুধ পৌঁছানোর পথও কঠিন হয়ে যাবে।

 

বাংলাদেশও ওষুধ শিল্পের জন্য ভারতের উপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল। কাঁচামাল থেকে শুরু করে ওষুধ শিল্পের প্রয়োজনীয় সবকিছুই বাংলাদেশ ভারত, চীন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করে। তাই, মার্কিন শুল্কের প্রভাব বাংলাদেশের বাজারেও পড়তে পারে।