পিরোজপুর সদর যুব উন্নয়ন দপ্তরের কর্মীদের আবাসন থেকে মামুন মিয়া (৩০) নামের এক যুবকের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ বুধবার (২ এপ্রিল) সকালে পিরোজপুর সদর যুব উন্নয়ন দপ্তরের কর্মীদের আবাসন ভবনের নিচতলার একটি কক্ষ থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় মৃতদেহটি উদ্ধার করে। মৃতের পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, মামুন তার নববিবাহিত স্ত্রীর সাথে মনোমালিন্যের কারণে আত্মহত্যা করেছেন।
নিহত মামুন মঠবাড়িয়া তুষখালী এলাকার বাসিন্দা মাহবুব হাওলাদারের ছেলে। তিনি পিরোজপুর যুব উন্নয়ন দপ্তরের ইলেকট্রিক ট্রেডের একজন অস্থায়ী কর্মী ছিলেন।
যেসব কারণে শরীরে পানি জমে, এখনই সচেতন হোন
শিশুদের অপুষ্টি প্রতিরোধে নওগাঁয় ভিটামিন 'এ' প্লাস ক্যাম্পেইন চালু
ব্যাংককে ধ্বংসস্তূপ ৩০ তলা ভবন, নিখোঁজ ৪৩ শ্রমিক
পুলিশ ও নিহত মামুনের পরিবারের সূত্রে জানা যায়, মামুন চলতি বছরের জানুয়ারিতে মংলায় চৈতি মিম নামের এক মেয়েকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর থেকেই তাদের মধ্যে বনিবনা হচ্ছিল না। এর জেরে মামুন প্রায়শই মানসিক অবসাদে ভুগতেন। ঈদের ছুটিতে বাড়িতে গেলেও ঈদের রাতেই তিনি কর্মস্থলে ফিরে আসেন। বুধবার সকালে আবাসন ভবনের অন্যান্য বাসিন্দারা তাকে ডাকতে গিয়ে কোনো সাড়া না পেয়ে ঘরের ফাঁক দিয়ে উঁকি মেরে সিলিং ফ্যানের সাথে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে তারা এসে মৃতদেহটি উদ্ধার করে।
নিহত মামুনের বোন মারুফা জানান, "বুধবার সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে আমার সঙ্গে তার কথা হয়। সে আমাকে বারবার বলছিল, 'বউয়ের জন্য আমার জীবনটা শেষ, আমি আর মনে হয় বাঁচব না।' দীর্ঘদিন ধরে ও মানসিক যন্ত্রণায় ভুগছিল।"
পিরোজপুর সদর থানার ওসি মোঃ আব্দুস সোবাহান জানান, মৃতদেহটি উদ্ধারের সময় সেটি ফ্যানের সাথে ঝুলছিল এবং গলায় গামছা পেঁচানো ছিল। মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।