মক্কার মসজিদে হারামে কার্যক্রমের ছবি তোলার জন্য সৌদি আরবে একটি নতুন যুগের সূচনা হয়েছে, এবং এর অন্যতম একটি বড় পরিবর্তন এসেছে নারী আলোকচিত্রীদের মাধ্যমে। এর মধ্যে বিশেষভাবে উঠে এসেছে নাদি আল ঘামদির নাম, যিনি মসজিদে হারামের প্রথম লাইসেন্সপ্রাপ্ত নারী ফটোগ্রাফার হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেছেন।
Why is the electric car market occupied by China?
বিক্রি হয়ে গেল ইলন মাস্কের ‘এক্স’!
ঈদের দ্বিতীয় দিনেও গাজায় ইসরায়েলি হামলা, নিহত ৩৪ ফিলিস্তিনি
এ বিষয়ে আল ঘামদি জানান, ছোটবেলা থেকেই তিনি গ্র্যান্ড মসজিদের ছবি তোলার স্বপ্ন দেখতেন, এবং এখন তিনি সেই স্বপ্ন বাস্তবায়িত করতে পেরেছেন। সৌদি টিভি চ্যানেল আল-আখবারিয়ার সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “গ্র্যান্ড মসজিদে নিয়মিত ছবি তোলা একটি চ্যালেঞ্জ ছিল, তবে আমি কখনও হাল ছাড়িনি।”
তিনি আরও জানান, ছোটবেলা থেকেই তার ফটোগ্রাফির প্রতি বিশেষ আগ্রহ ছিল। একটি ডিপ্লোমা সম্পন্ন করার পর, তিনি ইসলামিক অ্যাফেয়ার্স ইনস্টিটিউটে আবেদন করেছিলেন। দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর, তিনি তার স্বপ্ন পূর্ণ করতে সক্ষম হয়েছেন।
নাদি আল ঘামদি বলেন, "গ্র্যান্ড মসজিদে ছবি তোলার অনুমতি পাওয়া সৌদি আরবের প্রথম নারী আলোকচিত্রী হতে পারা আমার জন্য গর্বের বিষয়।" এ ছাড়াও, তাকে আকাশের ছবি তোলার অনুমতি দেওয়া হয়েছে, যার মাধ্যমে তিনি জাতীয় নিরাপত্তা হেলিকপ্টার থেকে গ্র্যান্ড মসজিদ এবং পবিত্র মসজিদের আকাশপথের ছবি ধারণ করেছেন।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সৌদি আরব নারীদের ক্ষমতায়নে ব্যাপক পরিবর্তন আনছে। নারীদের জন্য বিভিন্ন নতুন সুযোগ সৃষ্টি করা হচ্ছে, যেমন ২০১৮ সালে প্রথমবারের মতো নারীদের গাড়ি চালানোর অনুমতি দেওয়া হয়। সৌদি আরব নারীদের ভ্রমণ এবং পাসপোর্টের জন্য আবেদন করার ক্ষেত্রে পুরুষের অনুমোদন ছাড়া স্বাধীনতা দিয়েছে, যা তাদের ওপর দীর্ঘকালীন নিয়ন্ত্রণের শিথিলতা নির্দেশ করে।
এই ধরনের পদক্ষেপ সৌদি আরবে নারীদের আরও শক্তিশালী করে তুলছে এবং দেশের সামাজিক কাঠামোতে বড় পরিবর্তন আনার চেষ্টা চলছে।