সিয়াম ইসলাম প্রকাশিত: ০৪ এপ্রিল, ২০২৫, ১২:৫২ পিএম
সবাইকে সাথে নিয়ে সব বাধা অতিক্রম করে ঐক্যবদ্ধ জাতি হিসেবে এগিয়ে যাওয়ার বার্তা দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস।
সোমবার (৩১ মার্চ) জাতীয় ঈদগাহ ঈদুল ফিতরের নামাজ শেষে এক বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।
এ সময় প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আমাদের মধ্যে যে ঐক্য তৈরি হয়েছে, সব প্রতিকূলতার সত্ত্বেও সেই ঐক্য অটুট রাখতে সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
ঈদের নামাজের পর প্রধান উপদেষ্টা তার বক্তব্য শুরু করেন প্রাবাসী বাংলাদেশিদের ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে। এরপর তিনি অসুস্থ হয়ে যারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকায় ঈদের নামাজ পড়েতে পারেননি, তাদেরও মোবারকবাদ জানান।
এর আগে, জাতীয় ঈদগাহ মাঠে ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত ঈদের নামাজ আদায় করলেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এদিন সকাল সাড়ে ৮টায় এ জামাত শুরু হয়।
ঈদের এ জামাতে আরও অংশগ্রহণ করেন- প্রধান বিচারপতি, সুপ্রিম কোর্ট ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, রাজনৈতিক নেতা, সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন মুসলিম দেশের কূটনীতিকসহ হাজারো মুসল্লিরা।
জাতীয় ঈদগাহে প্রধান জামাতের দায়িত্ব পালন করেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি মোহাম্মদ আবদুল মালেক ইমাম এবং ক্বারী হিসেবে ছিলেন বায়তুল মোকাররমের মুয়াজ্জিন মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান।
পুরো কন্টেন্টি ইউনিক ভাবে লিখে দিন যাতে কারো সাথে না মিলে যায়
পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ শেষে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে এক বিশেষ বক্তব্যে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস সব ভেদাভেদ ভুলে একটি ঐক্যবদ্ধ জাতি হিসেবে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
সোমবার (৩১ মার্চ) ঈদ জামাত শেষে তিনি বলেন, "আমাদের মধ্যে যে ঐক্য তৈরি হয়েছে, সব প্রতিকূলতা সত্ত্বেও সেই ঐক্য অটুট রাখতে হবে।" তিনি আরও বলেন, "সবাইকে সাথে নিয়ে সব বাধা অতিক্রম করে ঐক্যবদ্ধ জাতি হিসেবে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।"
প্রধান উপদেষ্টা তার বক্তব্যের শুরুতেই প্রবাসী বাংলাদেশিদের ঈদের শুভেচ্ছা জানান। এরপর তিনি অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকায় যারা ঈদের নামাজে অংশ নিতে পারেননি, তাদের প্রতিও সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।
এর আগে, সকাল সাড়ে ৮টায় জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এই জামাতে প্রধান বিচারপতি, সুপ্রিম কোর্ট ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, রাজনৈতিক নেতা, সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন মুসলিম দেশের কূটনীতিকসহ হাজারো মুসল্লি অংশগ্রহণ করেন।
বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি মোহাম্মদ আবদুল মালেক এই জামাতে ইমামতি করেন এবং বায়তুল মোকাররমের মুয়াজ্জিন মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান ক্বারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।