আজ ২৬ মার্চ, ৫৫তম মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আহ্বানে, দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আমরা পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙে স্বাধীনতা অর্জন করি। এই দিনটি বাঙালি জাতির জন্য এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়, যা আমাদের মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে শিখিয়েছে।
দিবসটি উপলক্ষে দেশজুড়ে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
অনলাইন জুয়া পরিচালনা করে দেশের অর্থ বিদেশে পাচারচক্রের ছয় সদস্য গ্রেফতার।
বিউটি শপের নামে ভয়ংকর প্রতারণায় কাশ্মীরি বিউটি বাই জিনিয়াথ'
মুন্সীগঞ্জে ঈদের দিন দশ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে গরুর মাংস।
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তার বাণীতে মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, “স্বাধীনতার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জনে গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি পরমতসহিষ্ণুতা, মানবাধিকার ও আইনের শাসন সুসংহত করতে হবে।” তিনি বৈষম্যমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, “স্বাধীনতা অর্জন ছিল আমাদের আত্মমর্যাদা, অস্তিত্ব রক্ষা এবং অধিকার আদায়ের দীর্ঘ লড়াই সংগ্রামের চূড়ান্ত ধাপ। যে রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্বের বুকে মাথা তুলে দাঁড়ায়, তার আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়েছিল আজকের এই দিনে।” তিনি দেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে কাজ করার শপথ গ্রহণের আহ্বান জানান।
দিবসটি উপলক্ষে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হচ্ছে। সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসের সূচনা হয়। জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টাসহ বিভিন্ন স্তরের মানুষ পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এছাড়া, সংবাদপত্রগুলো বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করেছে, ইলেকট্রনিক মিডিয়াগুলো মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক অনুষ্ঠান প্রচার করছে এবং বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।