ক্যাসিনোকাণ্ডে আলোচিত ঠিকাদার গোলাম কিবরিয়া শামীম, যিনি জি কে শামীম নামেই পরিচিত, এবং তার মা আয়েশা আক্তারের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলার রায় আজ ঘোষণা করা হবে। ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক মো. রবিউল আলম এই রায় ঘোষণা করবেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী বেলাল হোসেন।
এই মামলার রায় এর আগে ১৭ ফেব্রুয়ারি ঘোষণা করার কথা ছিল। তবে জি কে শামীমের আইনজীবী শাহিনুর ইসলাম মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে পুনরায় জেরা করার আবেদন জানান, যা আদালত মঞ্জুর করেন। এর ফলে, মামলার রায় পিছিয়ে যায় এবং সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য নতুন তারিখ ধার্য করা হয়। এরপর তদন্ত কর্মকর্তাকে জেরা, আসামিদের আত্মপক্ষ সমর্থন শুনানি, সাফাই সাক্ষ্য এবং যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আদালত ২০ মার্চ রায়ের নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন।
আফ্রিকায় কমনওয়েলথ কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের স্বর্ণজয়
হজের প্রাথমিক নিবন্ধনের শেষ সময় ৩০ নভেম্বর
স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টার শ্রদ্ধা
দুদক ২০১৯ সালের ২১ অক্টোবর শামীম ও তার মায়ের বিরুদ্ধে ২৯৭ কোটি ৮ লাখ ৯৯ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা দায়ের করে। ২০২১ সালের ১৭ জানুয়ারি দুদক আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় এবং ২০২২ সালের ১৮ অক্টোবর আসামিদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, জি কে শামীম ২০১৮-২০১৯ করবর্ষে ৫০ কোটি টাকার স্থাবর সম্পদের মালিক হন, যার মধ্যে ৪০ কোটি ২১ লাখ ৪০ হাজার ৭৪৪ টাকার বৈধ উৎস দুদক খুঁজে পায়নি। এছাড়াও, তার বাসা থেকে উদ্ধারকৃত নগদ ১ কোটি ৮১ লাখ ২৮ হাজার টাকা, ৭ লাখ ৪৭ হাজার টাকার বিদেশি মুদ্রা, এবং শামীম ও তার মায়ের নামে ১৬৫ কোটি ২৭ লাখ ৬৫ হাজার টাকার এফডিআর সহ আরও অন্যান্য সম্পদের বৈধ উৎস সম্পর্কেও দুদক সন্তোষজনক তথ্য পায়নি। শামীমের মায়ের নামে থাকা ৪৩ কোটি ৫৭ লাখ ৪০ হাজার টাকার ব্যবসার অংশীদার এবং জি কে বি অ্যান্ড কোম্পানির শেয়ার, গাড়ি ও এফডিআর বাবদ ৩৬ কোটি ৩৫ লাখ ১৮ হাজার ৭১৯ টাকার অস্থাবর সম্পদেরও কোনো বৈধ উৎস খুঁজে পাওয়া যায়নি।
দুদকের অনুসন্ধানে জানা যায়, শামীমের মায়েরও আয়ের কোনো বৈধ উৎস ছিল না। সব মিলিয়ে, ২৯৭ কোটি ৮ লাখ ৯৯ হাজার টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদক এই মামলাটি দায়ের করে।