বাবা-মায়ের স্বপ্ন ছিল ছেলেকে কুরআন মুখস্ত করা। সেই লক্ষ্যে তারা তাদের ১০ বছরের ছেলে ইমদাদুল ইসলামকে নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার তামিরুল উম্মাহ হিফজুল কুরআন মাদ্রাসায় ভর্তি করেন। হিফজ বিভাগে ভর্তি হওয়ার মাত্র ১৮০ দিনে পবিত্র কুরআনের ৩০টি আয়াত মুখস্ত করে হাফেজ হন ইমদাদ।
জানা যায়, সুবর্ণচর উপজেলার চরওয়াপদা ইউনিয়নের থানারহাট এলাকার এরশাদ উদ্দিন ও বকুল দম্পতি তাদের ১০ বছরের ছেলে ইমদাদকে স্থানীয় তামিরুল উম্মাহ হিফজুল কুরআন মাদ্রাসার হেফজ বিভাগে ছেলেকে কুরআন পাকের স্বপ্নে ভর্তি করান। চলতি বছরের মার্চে হাফেজ মো. ভর্তির মাত্র 6 মাস পর ইমদাদ কুরআনের সম্পূর্ণ 30টি আয়াত মুখস্ত করতে সক্ষম হন। তার সাফল্যে খুশি তার সহপাঠী, শিক্ষক ও এলাকাবাসী।
রোজার ফজিলত সম্পর্কে সাতটি গুরুত্বপূর্ণ হাদিস
ইফতারের পর ক্লান্ত শরীর চাঙা করার উপায়
ঘুষ কিয়ামতের দিন ঘুষখোরের কাঁধে চেপে বসবে
সদ্য পবিত্র কোরআন মুখস্থ করা ইমদাদুল ইসলামের স্বপ্ন, সবার দোয়া ও শিক্ষকদের দোয়ায় সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়া, ঠিক সেভাবে খুব অল্প সময়ে পবিত্র কোরআন মুখস্ত করছে। এজন্য তিনি দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন। তিনি বললেন, আলহামদুলিল্লাহ! আমার খুব ভালো লাগছে। আমার পরামর্শদাতারা আমাকে অনেক সাহায্য করেছেন। আমি মাস্টারদের কাছে কৃতজ্ঞ।
সহপাঠীদের মতে, এমদাদ মাত্র ছয় মাসে হিফজ সম্পন্ন করেছে যার জন্য আমরা খুবই খুশি। তার মাধ্যমে আমাদের মাদ্রাসার নাম উজ্জ্বল হয়েছে। আমরা দোয়া করি আরো অনেকে যেন হাফেজ হয়। আল্লাহ সবাইকে কবুল করুন।
এমদাদুল ইসলামের বাবা এরশাদুল জানান, তার দাদি তাকে হাফেজ বানাতে চেয়েছিলেন। সে তার দাদীর স্বপ্ন পূরণ করেছে। আমি তার জন্য দোয়া করছি। আল্লাহ আমার ছেলেকে কবুল করুন।