মো:জাহিদুল ইসলাম প্রতিনিধি, গাইবান্ধা
The world's largest aircraft waiting to take off
Rashmika Mandana is Salman's heroine this time
২০২৪ সালে পবিত্র হজ ও ওমরাহ করেছেন ১ কোটি ৮৫ লাখ মানুষ
জেনে নেই আসল রহস্য
পানির অপর নাম জীবন, আর এই পানি সংগ্রহের এক অতি প্রাচীন স্থান কুয়া বা ইন্দারা। শত শত বছর ধরে জলধারক হিসেবে ব্যবহারিত হয়ে আসছে কুয়ার পদ্ধতি। এবার সবার মনে প্রশ্ন জাগতে পারে এই কয়া বর্গাকার, ষড়ভুজ বা ত্রিভুজ না হয়ে বৃত্তাকার বা গোলাকার কেন হলো?
মাটি খনন করে আগে তৈরি করা হতো এই পানির কয়া বা ইন্দরা। শহরের প্রাচীন কিছু বাড়িতে ও গ্রামাঞ্চলে গেলে এখনও অনেক বাড়িতেই দেখা যায় সেই বাড়ির যাবতীয় কাজ করা হচ্ছে এই কুয়ার পানিতে।
এই নির্দিষ্ট আকারের পেছনে রয়েছে বড় রহস্য। কুয়ার গোলাকৃতির পেছনে থাকা সেই আশ্চর্য কারণ কি সে কারণ জেনে নেই, অনেকেরই কিন্তু অজানা আর সেখানেই কারণে লুকিয়ে আছে
প্রকৃতপক্ষে, সারাবিশ্বে নির্মিত গোলাকার কুয়াগুলি অন্যান্য কুয়ার তুলনায় অনেক বেশি শক্তিশালী। এর সবচেয়ে বড় কারণ হলো একটি গোলাকার কুয়ার কোনো কোণ নেই, যার কারণে কুয়ার চারপাশে পানির চাপ সমান থাকে।
কুয়াটি যদি গোলাকার না হয়ে বর্গাকার হয়, তবে জলের চাপ কেবল চার কোণে থাকবে। যার কারণে কূপটি বেশিদিন দীর্ঘস্থায়ী হতে পারবে না। এর পাশাপাশি ধসের ঝুঁকিও বৃদ্ধি পাওয়ার ঝুঁকি। এরই কারণে সারাবিশ্বে কূয়াগুলি গোলাকার আকারে তৈরি করা।
আমাদের বাড়িতে ব্যবহৃত বাটি, প্লেট, বালতি এবং থালার আকারও গোলাকার হয়ে থাকে। কূপ যদি বৃত্তাকার বা গোলাকার তৈরি না করে বর্গাকার বা ত্রিভুজাকারে তৈরি করা হত তাহলে তার কোণগুলিতে পানির চাপ এতো পড়ত যে সেগুলো খুব তাড়াতাড়ি ভেঙে যেত। তাই পানির চাপ যাতে সব দেওয়ালে সমান থাকে সেই জন্য আকৃতি গোলাকার করা হয়।
এখানেই শেষ নয় আরও কারণ আছে। কুয়ার মাটি কখনও নেমে বা বসে যায় না। এর পেছনের কারণও কূপের গোলাকৃতি। এখানেও চাপ সবচেয়ে বড় কারণ। একটি বৃত্তাকার কূপে অভিন্ন চাপের কারণে, মাটি তলিয়ে ধসে যাওয়ার সম্ভাবনা খুব কম।