Dhaka, শনিবার, এপ্রিল ৫, ২০২৫

রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাতের অবসান এই সপ্তাহেই?

সিয়াম ইসলাম

প্রকাশিত: ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫, ০৩:২৯ পিএম
Bangla Today News

তিন বছরের বেশি সময় ধরে চলমান ইউক্রেন-রাশিয়া সংঘাত এই সপ্তাহের মধ্যে শেষ হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছে হোয়াইট হাউজ। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, ‘এই সপ্তাহে’ অবসান হতে পারে রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাত। খবর আনাদোলুর।

 

ডোনাল্ড ট্রাম্প দায়িত্ব নিয়েছেন একমাসের বেশি হয়ে গেছে। তিনি প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার আগে থেকেই এই সংঘাত বন্ধের বিষয়ে সোচ্চার ছিলেন। সম্প্রতি এ বিষয়ে তিনি জোরালো তৎপরতা শুরু করেছেন। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, রাশিয়া-ইউক্রেনের সংঘাতের অবসান ‘এই সপ্তাহেই’ হতে পারে।

 

গত শনিবার হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র ক্যারোলিন লেভিট বলেছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইউক্রেন সংঘাতের অবসান ঘটানোর জন্য রাশিয়ার সাথে একটি চুক্তি আলোচনার বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী। তিন বছর ধরে চলা এই যুদ্ধ এই সপ্তাহের মধ্যেই শেষ হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।

 

এদিকে কনজারভেটিভ পলিটিক্যাল অ্যাকশন কনফারেন্স (সিপিএসি) থেকে ফিরে সাউথ লনে সাংবাদিকদের লেভিট বলেন, “প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও তার দল এই সংঘাতের অবসান ঘটাতে এই যুদ্ধের উভয় পক্ষের সাথে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার ওপর খুব বেশি মনোযোগী। প্রেসিডেন্ট নিজেও খুব আত্মবিশ্বাসী যে- আমরা এই সপ্তাহে এটি সম্পন্ন করতে পারব।”

 

লেভিট বলেছেন, মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ম্যাট ওয়াল্টজ এই সপ্তাহান্তে একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য ‘দিন-রাত’ কাজ করবেন। এছাড়া অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট নিজেও খনিজ ব্যবহার সংক্রান্ত ইউক্রেনের সাথে একটি প্রস্তাবিত চুক্তির বিষয়ে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন।

 

মুখপাত্র ক্যারোলিন লেভিট আরও বলেন, “ইউক্রেনের গুরুত্বপূর্ণ এসব খনিজ পদার্থ প্রেসিডেন্টের (ট্রাম্প) জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এটি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি আমেরিকান ট্যাক্স ডলার ফিরিয়ে আনবে।”

 

এর আগে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির আর “কোনও অপশন নেই” এবং আন্তর্জাতিক নেতাদের সাথে ভবিষ্যতে শান্তি আলোচনা থেকে তাকে বাদ দেয়া উচিত বলে ট্রাম্প দাবি করেছিলেন। এর ঠিক পরেই হোয়াইট হাউসের মুখপাত্রের কাছ থেকে এমন মন্তব্য আসলো।

 

উল্লেখ্য, ট্রাম্প প্রশাসন সম্প্রতি ইউক্রেনে যুদ্ধের অবসানের লক্ষ্যে বৃহত্তর আলোচনার অংশ হিসেবে রেয়ার আর্থ খনিজ সম্পদের চুক্তির প্রস্তাব দিয়েছে। মূলত ইউক্রেনের প্রচুর পরিমাণে প্রাকৃতিক সম্পদ রয়েছে। যেগুলো অস্ত্র, বৈদ্যুতিক গাড়িসহ বিভিন্ন পণ্য উৎপাদনের গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ।

 

পৃথিবীর অনেক দেশেই এসব সম্পদ নেই। আর থেকে থাকলেও এগুলো আহরণ করা একদমই সহজ কাজ নয়। এছাড়া ইউক্রেনের পাশাপাশি চীনেও এমন প্রাকৃতিক সম্পদ রয়েছে। সেজন্য ধারণা করা হয়, চীনকে টেক্কা দিতে যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমারা ইউক্রেনের সম্পদের দিকে নজর দিয়েছে।







 

Leave a comment