ভালো চাকরির মিথ্যা প্রলোভন দেখিয়ে পাচারকারী চক্রের মাধ্যমে সীমান্ত পেরিয়ে প্রতিবেশী দেশ ভারতে গিয়েছিলেন তিন বাংলাদেশি নারী। দীর্ঘ দুই বছর পর, রবিবার (৩০ মার্চ) বিশেষ ভ্রমণ অনুমতিপত্রের মাধ্যমে তারা নিজ দেশে ফিরে এসেছেন।
ভারতের পেট্রাপোল অভিবাসন পুলিশ ঐ তিন নারীকে বেনাপোল চেকপোস্ট অভিবাসন পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। ফেরত আসা নারীরা হলেন ঢাকার কদমতলীর বাসিন্দা ১৬ বছর বয়সী সানজিদা আক্তার সিরাবনি, নারায়ণগঞ্জের নুরুল ইসলামের মেয়ে ২৭ বছর বয়সী লাজু আক্তার এবং একই জেলার দেবুল মিয়ার ২৬ বছর বয়সী মেয়ে চাঁদনী আক্তার।
শপথ নিলেন আপিল বিভাগের দুই বিচারপতি
মাশরাফির উপস্থিতিতে অস্ত্র দেখিয়ে সিলেট স্ট্রাইকার্স দখল নেওয়া হয়
ড্রাফটের আগে বিপিএলে দল পেলেন যারা
বেনাপোল চেকপোস্ট অভিবাসন পুলিশের পরিদর্শক (ওসি) ইব্রাহিম খলিলুল্লাহ জানান, প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে নারীদের বেনাপোল পোর্ট থানার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। সেখান থেকে ‘জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার’ নামের একটি মানবাধিকার সংস্থার কাছে তাদের দায়িত্ব দেওয়া হবে। এই সংস্থাটি তাদের পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিতে এবং আইনি সহায়তা দিতে কাজ করে থাকে।
‘জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার’ সংস্থার এসইএফ বুলকি বালা জানান, পাচারকারীদের মিথ্যা প্রলোভনে পড়ে এই নারীরা অবৈধভাবে সীমান্ত পার হয়ে ভারতে গিয়েছিলেন। সেখানে পুলিশ তাদের আটক করে আদালতে সোপর্দ করে। ভারতীয় মানবাধিকার সংস্থা ‘পিজোলা’ তাদের উদ্ধার করে আশ্রয়কেন্দ্রে রাখে। দুই দেশের সহযোগিতায় বিশেষ ভ্রমণ অনুমতিপত্রের মাধ্যমে তারা দেশে ফেরার সুযোগ পান।