প্রায় ৩ লাখ ২২ হাজার ৮০০ বর্গফুট আয়তনের জাতীয় ঈদগাহ মাঠটি ঈদের প্রধান জামাতের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। এখানে প্রায় ৩৫ হাজার মুসল্লি একসঙ্গে ঈদের নামাজ আদায় করতে পারবেন। তবে ঈদগাহ মাঠ ও এর আশপাশের জায়গায় প্রায় ৯০ হাজার মুসল্লি একসঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারবেন বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
জাতীয় ঈদগাহ প্রস্তুতের সার্বিক দায়িত্বে ছিল ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি)। ঈদগাহ মাঠ প্রস্তুত করতে প্রায় ১ কোটি ১৫ লাখ টাকা খরচ হয়েছে। মেসার্স আবুল হক অ্যান্ড সন্স নামের একটি প্রতিষ্ঠানকে মাঠ প্রস্তুতের কাজ দেওয়া হয়েছিল। প্রায় ২৩ দিনে শতাধিক কর্মী মাঠ প্রস্তুতের কাজ সম্পন্ন করেছেন।
সৌদিতে চাঁদ দেখা গেছে, রোববার ঈদ
30810 people arrived in Saudi to perform Hajj
জুমার দিনের ৮ গুরুত্বপূর্ণ আমল
ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মুখপাত্র রাসেল রহমান জানান, মুসল্লিদের নিরাপত্তা ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার জন্য বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে:
* নিরাপত্তা: পুলিশ, র্যাব ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবে।
* সুবিধা: ওজু ও টয়লেটের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
* স্বাস্থ্যসেবা: প্রাথমিক চিকিৎসা ও অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিসসহ মেডিকেল টিম প্রস্তুত থাকবে।
জাতীয় ঈদগাহে প্রায় ৩১ হাজার পুরুষ ও ৩৫০০ মহিলা মুসল্লির নামাজের ব্যবস্থা রয়েছে। এখানে তিনটি ফটক, ৬৫টি বড় কাতারের স্থান এবং মহিলাদের জন্য ৫০টি ছোট কাতারের স্থান রয়েছে। একসঙ্গে ১৪০ জন মুসল্লির ওজুর ব্যবস্থা রয়েছে।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. শাহজাহান মিয়া ঢাকাবাসীকে প্রধান ঈদ জামাতে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি জানান, মুসল্লিরা যাতে স্বাচ্ছন্দ্যে ও নিরাপদে ঈদের নামাজ আদায় করতে পারেন, সেজন্য সব ব্যবস্থা সম্পন্ন করা হয়েছে।
জাতীয় ঈদগাহ প্রস্তুতের সঙ্গে জড়িতরা জানান, এ বছর মাঠের প্যান্ডেল তৈরি করতে ৪৩ হাজারের বেশি বাঁশ, ১৫ টনের বেশি রশি এবং ১ হাজার ৯০০টি ত্রিপল ব্যবহার করা হয়েছে। প্রায় ৯০০টি টিউবলাইট, ১১০০ এর বেশি ফ্যান এবং আরামদায়ক কার্পেট বিছানো হয়েছে। তাই মুসল্লিদের জায়নামাজ সঙ্গে আনতে হবে না।
১৯৮৭-৮৮ সালের দিকে জাতীয় ঈদগাহ হিসেবে ঘোষণা করা হয়। বর্তমানে বাংলাদেশ হাইকোর্টের অধীনে পরিচালিত হলেও গণপূর্ত বিভাগ এর দেখভাল করে। ২০০০ সাল থেকে ঢাকা সিটি কর্পোরেশন এবং পরে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন মাঠ প্রস্তুতের দায়িত্ব পালন করে আসছে।