ক্রিকেট খেলার মাঠে চার ছয় দেশে দর্শক গ্যালারির সবাই হাতে তালি দিয়ে স্বাগত জানায়। ক্রিকেট মাঠের ২২ গজে ত্রাস ছড়ান পেস বোলাররা।
বিপিএলে এখন পর্যন্ত দল পাননি মাহমুদউল্লাহ
উন্মোচিত হলো টাইগারদের চ্যাম্পিয়নস ট্রফির জার্সি
চ্যাম্পিয়নস ট্রফি থেকে কত টাকা পেলো বাংলাদেশ?
এই সব বোলারদের বলা হয় গতিমানব। তাদের আগুনে বোলিং ব্যাটারদের বুকে কাঁপন ধরায়। শোয়েব আখতার-ব্রেট লিরা তাদের গতিময় বোলিংয়ে আলোড়ন তুলেছেন, ইতিহাসের অংশ হয়েছেন।
তবে সময়ের সঙ্গে পেস বোলিংয়ের সে ধার কমেছে। এখনকার পেস বোলারদের মধ্যে হাতেগোনা কয়েকজন বাদে বাকিরা শোয়েব-লিদের মতো গতির ঝড় তুলতে পারেন না।
তাই চলুন স্মৃতির ঝাঁপি খোলা যাক। দেখে নেওয়া যাক ইতিহাসের সেই গতিদানবদের, যাদের আগুনে বোলিংয়ে বিমোহিত হয়েছেন ক্রিকেটপ্রেমীরা।
শোয়েব আখতার - ১৬১.৩ কিমি
২০০৩ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ১৬১.৩ কিমি ঘণ্টায় বল ছুঁড়ে ইতিহাস গড়েছিলেন ‘রাওয়ালপিন্ডি এক্সপ্রেস’ খ্যাত পাকিস্তানি পেসার শোয়েব আখতার।
শন টেইট - ১৬১.১ কিমি
ইংল্যান্ডর বিপক্ষেই ২০১০ সালে ক্রিকেট ইতিহাসের দ্বিতীয় গতিময় বলটি ছোঁড়েন অস্ট্রেলিয়ান পেসার শন টেইট। অল্পের জন্য ছুঁতে পারেননি শোয়েব আখতারের রেকর্ড।
ব্রেট লি - ১৬১.১ কিমি
টেইটের বছর পাচেক আগেই ১৬১.১ কিমি গতিতে বল করেছিলেন আরেক অজি পেসার ব্রেট লি। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সেই বলটি করে নিজেকে ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম গতিময় দানব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন তিনি।
জেফ থমসন - ১৬০.৬ কিমি
ক্রিকেটের ‘ক্ল্যাসিক যুগের’ ফাস্ট বোলার জেফ থমসন। আক্রমণাত্মক বোলিং স্টাইলের জন্য বিখ্যাত এই পেসার ১৯৭৫ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ক্রিকেট ইতিহাসের চতুর্থ গতিময় বলটি করেছিলেন।
মিচেল স্টার্ক - ১৬০.৪ কিমি
বর্তমান সময়ে খেলা চালিয়ে যাওয়া বোলারদের মধ্যে শুধু মিচেল স্টার্ক-ই গতির ঝড় তুলে ইতিহাসে জায়গা করে নিয়েছেন। ২০১৫ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে পার্থ টেস্টে রস টেলরকে ১৬০.৪ কিমি গতিতে ইয়র্কার ছোঁড়েন স্টার্ক।