বাংলাদেশের মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) প্রতিষ্ঠানগুলোর গ্রাহকদের জন্য লেনদেনের সীমা সম্প্রতি বাড়ানো হয়েছে। বিকাশ, নগদ এবং রকেটের মতো প্রতিষ্ঠানগুলোর গ্রাহকরা এখন দৈনিক ও মাসিক ভিত্তিতে আরও বেশি টাকা জমা, উত্তোলন ও স্থানান্তর করতে পারবেন। এ ছাড়া, গ্রাহকের অ্যাকাউন্টে পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত জমা রাখা যাবে, যা আগে ছিল তিন লাখ টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংক এরই মধ্যে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে নতুন এই নির্দেশনা দিয়েছে।
নদী ভাঙনের শব্দে নির্ঘুম যমুনা পাড়ের শত শত মানুষ
The temperature of Bangladesh today is higher than the Middle East
শেরপুর ও ময়মনসিংহে আকস্মিক বন্যা, তলিয়ে গেছে ১৬৩ গ্রাম
ঈদ মৌসুমের কাছাকাছি সময়ে গ্রাহকদের লেনদেনের পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়ায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে, প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিজেদের বিবেচনায় লেনদেনের সীমা কমানোর স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে, যা প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক এই নির্দেশনার দ্রুত বাস্তবায়ন করতে বলেছে।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, এজেন্ট পয়েন্টে একজন গ্রাহক আগে দৈনিক ৩০ হাজার টাকা জমা দিতে পারতেন, যা এখন ৫০ হাজার টাকা করা হয়েছে। একইভাবে, গ্রাহকরা প্রতি মাসে এক লাখ ৫০ হাজার টাকা উত্তোলন করতে পারতেন, তা বৃদ্ধি করে দুই লাখ টাকা করা হয়েছে। একজন গ্রাহক তার অ্যাকাউন্ট থেকে ২৫ হাজার টাকা অন্য গ্রাহকের কাছে পাঠাতে পারতেন, এখন তা বাড়িয়ে ৫০ হাজার টাকা করা হয়েছে। এবং মাসে এক গ্রাহক অন্য একজনকে তিন লাখ টাকা পাঠাতে পারবেন, যা আগে ছিল দুই লাখ টাকা।
এছাড়া, এমএফএস গ্রাহকরা এখন এক মাসে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত তাদের অ্যাকাউন্টে জমা রাখতে পারবেন। সেবা ব্যবহারের ক্ষেত্রে এই পরিবর্তনগুলো অনেক গ্রাহকের জন্য সুবিধাজনক হবে।, মোবাইলের মাধ্যমে আর্থিক লেনদেন দেশের বড় মাধ্যম হয়ে উঠেছে। বিকাশ, নগদ এবং রকেটের মাধ্যমে গত এক মাসে প্রায় ১ লাখ ৭১ হাজার ৬৬৪ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে, যা প্রতিদিন ৫ হাজার ৫৩৭ কোটি টাকার সমান। এই লেনদেনের মাধ্যমে গ্রাহকরা টাকা পাঠানো, কেনাকাটা, বিভিন্ন বিল পরিশোধ, টিকিট ক্রয়, বেতনের বিল পরিশোধ, সরকারি ভাতা গ্রহণ এবং ব্যবসায়িক লেনদেন পরিচালনা করতে পারেন।
বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, জানুয়ারিতে এই সেবার মাধ্যমে লেনদেনের পরিমাণ ছিল ১ লাখ ৭১ হাজার ৬৬৪ কোটি টাকা, যা ডিসেম্বরের তুলনায় বেড়ে গেছে। ২০২৪ সালের মার্চে এই সেবার মাধ্যমে লেনদেন এক লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যায়, এবং এটি বর্তমানে আরও বেড়ে গেছে।