পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক বৈঠকের জেরে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলমের সঙ্গে বিএনপি নেতা মতিউর রহমানের তীব্র বাদানুবাদ হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উপজেলা পরিষদ চত্বরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) দুপুরে সারজিস আলম ইউএনও কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানদের ডেকে ইউএনও-এর সম্মেলন কক্ষে একটি বৈঠক আয়োজন করেন। তবে, ওই সময় ইউএনও সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। বৈঠক শেষে সারজিস আলম ও সরকারি কর্মকর্তারা যখন বেরিয়ে আসছিলেন, তখন বিএনপি নেতা মতিউর রহমান তাঁদের কাছে জানতে চান, সরকারি কর্মীরা অফিস চলাকালে একজন রাজনৈতিক নেতার ডাকে এ ধরনের বৈঠকে অংশ নিতে পারেন কি না।
আফ্রিকায় কমনওয়েলথ কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের স্বর্ণজয়
Judgment in favor of Jamal Bhuiyan, FIFA ordered to pay Tk 2 crore
হজের প্রাথমিক নিবন্ধনের শেষ সময় ৩০ নভেম্বর
মতিউর রহমানের অভিযোগ, বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার নওশাদ জমিরের ঈদ শুভেচ্ছার কার্ড বিতরণের জন্য তিনি বিভিন্ন দপ্তরে গিয়েছিলেন। সেখানে গিয়ে তিনি জানতে পারেন, সরকারি কর্মকর্তারা ইউএনও-এর সম্মেলন কক্ষে সারজিস আলমের সঙ্গে বৈঠক করছেন। তিনি এই বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে বোদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে এবং পঞ্চগড়ের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসককে (সার্বিক) অবহিত করেন।
সারজিস আলম তার প্রতিক্রিয়ায় জানান, আটোয়ারী উপজেলার উন্নয়নের স্বার্থেই তিনি সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন এবং এটি কোনো আনুষ্ঠানিক বৈঠক ছিল না। তিনি আরও বলেন, একজন নাগরিক হিসেবে তিনি কর্মকর্তাদের কাছ থেকে উপজেলার বিভিন্ন সমস্যার তথ্য সংগ্রহ করেছেন।
তর্ক চলাকালে মতিউর রহমান সারজিস আলমকে স্মরণ করিয়ে দেন যে, এনসিপি এখন একটি রাজনৈতিক দল। এর উত্তরে সারজিস আলম বলেন, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর যদি সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করতে পারেন, তাহলে তিনিও করতে পারেন। তবে, মতিউর রহমান পাল্টা যুক্তি দেখান যে, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কোনো সম্মেলন কক্ষে বৈঠক করেন না।
ঘটনার বিষয়ে জানতে বোদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহরিয়ার নজিরের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও, তিনি কোনো সাড়া দেননি।